নিজস্ব সংবাদদাতা, মঙ্গলকোট:- অজয় নদের ভাঙন রোধ ও গ্রামীণ উন্নয়নে দশ দফা ‘প্রতিজ্ঞা পত্র’ প্রকাশ মঙ্গলকোটের তৃণমূল প্রার্থীর। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে মঙ্গলকোটের সামগ্রিক উন্নয়নের লক্ষ্যে ১০ দফা ইস্তেহার বা ‘প্রতিজ্ঞা পত্র’ প্রকাশ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী তথা বিদায়ী বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরী।

শনিবার মঙ্গলকোটের কৈচরে দলীয় কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনের মাধ্যমে এই ইস্তেহার প্রকাশ করেন তিনি। পাশাপশি দলীয় কার্যালয়ের বাইরে একটি ডিসপ্লে বোর্ডের উদ্বোধন করা হয় যাতে সেই প্রতিশ্রুতিগুলি সাধারণ মানুষের নজরে আসে।

এই ইস্তেহারে অজয় নদের ভয়াবহ ভাঙন থেকে গ্রাম রক্ষা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার আধুনিকীকরণ এবং গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতিকে এই ইস্তেহারে বিশেষ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। চাণক, লাক্ষুরিয়া, মঙ্গলকোট, পালিগ্রাম ও গোতিষ্ঠা গ্রামগুলিকে নিরাপদ রাখতে অজয় নদের পাড় বরাবর বন্যা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। একইসঙ্গে নদীর গর্ভ থেকে উদ্ধার হওয়া একাধিক ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলি সংরক্ষণ করে পর্যটন কেন্দ্রের বিকাশের পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর। ক্ষীরগ্রাম হাসপাতালকে পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য ইতিধ্যেই টাকা মঞ্জুর হয়েছে।

সেখানে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিয়োগ, জরুরি পরিষেবা প্রদান সহ ডায়াগনস্টিক সুবিধা চালু করা। নতুনহাট বাসস্ট্যান্ডের আধুনিকীকরণ, চন্দ্রগ্রামের গ্রামের কাছে কুনুর নদীর ওপর কংক্রিট সেতু নির্মাণ এবং মঙ্গলকোট ও ভাতার সংযোগকারী রাধানগর সেতুর পুনর্নির্মাণের আশ্বাস দিয়েছেন অপূর্ব চৌধুরী। এছাড়াও নিগন অঞ্চলসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলিতে পাইপলাইনের মাধ্যমে পরিশ্রুত পানীয় জল পৌঁছে দেওয়া নিশ্চিত করা হবে। ইশতেহারের বাইরেও অতিরিক্ত একটি পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি, এলাকার মেয়েদের উচ্চশিক্ষার সুবিধার্থে কাটোয়ার বিধায়কের সঙ্গে আলোচনা করে একটি পৃথক মহিলা কলেজ স্থাপনের বিষয়টিও তাঁর ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, বিগত কয়েক বছরে মঙ্গলকোটের প্রতিটি গ্রামেই বিদ্যুৎ পৌঁছেছে। এবার তাঁর মূল লক্ষ্য রাস্তাঘাট, সেচ ব্যবস্থা এবং পানীয় জলের সুব্যবস্থা করা। এদিন ইস্তেহার প্রকাশের পাশাপাশি দলীয় কার্যালয়ের সামনে একটি বড় ডিসপ্লে বোর্ডও উদ্বোধন করেন তিনি, যাতে সাধারণ মানুষ প্রার্থীর প্রতিশ্রুতিগুলি সরাসরি দেখতে পারেন।





















